কুইক লিঙ্ক : মুজিব বর্ষ | করোনা ম্যাপ | করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব

করোনা মোকাবিলার একি হাল ঢাকা দক্ষিণের!

বাংলা ট্রিবিউন প্রকাশিত: ৩০ জুন ২০২০, ১০:০০

রাজধানী ঢাকার করোনা মোকাবিলার মূল দায়িত্ব সিটি করপোরেশনের। রাস্তাঘাট পরিষ্কার, সাধারণ ও করোনা বর্জ্য অপসারণ, পাবলিক প্লেস জীবাণুমুক্তকরণ, লকডাউন বাস্তবায়ন, অসহায় ও কর্মহীন মানুষের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ, মশক নিধন, নিজ মালিকানাধীন হাসপাতালগুলো করোনা রোগীর চিকিৎসার গুরু দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন সংস্থার কর্মীরা। কিন্তু করোনার প্রাদুর্ভাব যতো বাড়ছে ঠিক ততোই কর্মীদের ব্যক্তিগত সুরক্ষা সরঞ্জামে অনীহা দেখানো যাচ্ছে। এমন চিত্র ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের। সংস্থাটির ভাণ্ডারে করোনা প্রতিরোধে সংগ্রহকৃত মালামাল পুরিয়ে গেছে।

ডিএনসিসির কর্মীরা জানিয়েছেন, করোনাভাইরাস সংক্রমণের শুরুর দিকে তাদেরকে কিছু মাস্ক ও হ্যান্ড স্যানিটাইজার দেওয়া হলেও বর্তমানে দেওয়া হচ্ছে না। করোনাভাইরাসের ঝুঁকি নিয়েই তারা মাঠে কাজ করছেন। এরই মধ্যে অনেক কর্মী আক্রান্তও হয়েছে। ফলে অনেকেই ব্যক্তিগত উদ্যোগ সুরক্ষা সরঞ্জাম সংগ্রহ করে কাজ করছেন। অপেক্ষাতকৃত কম বেতনের কর্মচারীরা তাও পারছেন না। এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অনেকেই। এতে কাজেরও ব্যাঘাত ঘটছে বলে জানিয়েছেন তারা।

দক্ষিণ সিটির এক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, চলমান করোনা পরিস্থিতিতে ৬০ হাজার ৭০০টি মাস্ক, ১৭ হাজার জোড়া রাবার গ্লাভস, ২৯ হাজার ৫০০টি সার্জিকাল মাস্ক, তিব্বত (৫৭০) সাবান ৪০ হাজার পিস, স্যাভলন সাবান (এসিআই) ১২ হাজার ৬৪০টি, অন্যান্য সাবার ৭২৮টি, হ্যান্ড স্যানিটাইজার (এসিআই) ৭৫৬টি, হ্যান্ড স্যানিটাইজার (যমুনা) ১৫ হাজার, স্যাভলন এক হাজার লিটার, ব্লিচিং পাউডার ৫০ হাজার কেজি, সোডিয়াম হাইপো ক্লোরাইড এক লাখ লিটার সংগ্রহ করা হয়েছে।

এছাড়া সড়ক পরিষ্কারের জন্য নারিকেল শলা ৫ হাজার কেজি, করোনা ভাইরাস সচেতনতা লিফলেট তিন লাখ, গামবুট দুই হাজার ৮৫০টি, মপ ক্যাপ ১৫ হাজার, ওয়ার্ম গ্ল্যাফস ৫৪০টি, কে এ ৯৫ মাস্ক ১১০টি, কেএন ৯৫ (৩ এম) মাস্ক ৫০টি, ত্রিপোল ১৫টি, সেফটি ড্রেস ৪০৪টি, হ্যান্ড গ্লাভস (চায়না) ৪ হাজার ৪৪০ জোড়া, মেডিকেল গগলস ১৫০টি, সেফটি গগলস ৭৫০টি, কমফোর্ট হ্যান্ড গ্লাফস (সার্জিক্যাল) এক হাজার জোড়া, মেডিক্যাল হ্যান্ড গ্লাভস (সার্জিকাল) এক হাজার জোড়া ও সাবান (কেয়া) দুই হাজার ১৬ পিস সংগ্রহ করা হয়েছে।

বর্তমানে এসব পণ্যের মধ্যে শুধু হ্যান্ড স্যানিটাইজার (যমুনা) ৭০টি, ব্লিচিং পাউডার ৬ হাজার ৫০০ কেজি, নারিকেল শলা তিন হাজার কেজি, গাম বুট ৫০ জোড়া, ওয়ার্ম গ্লাভস ২০০টি ও মেডিক্যাল গগলস ১০টি মজুদ রয়েছে। এর বাইরে অতিপ্রয়োজনীয় কোনও সুরক্ষা সরঞ্জাম নেই ডিএসসিসির ভাণ্ডারে।

জানা গেছে, করোনা ভাইরাসের জীবাণু ধ্বংসে প্রতিদিন পানির সঙ্গে জীবাণুনাশক ব্লিচিং পাউডার ও সোডিয়াম হাইপো-ক্লোরাইট রাসায়নিক মিশিয়ে গাড়িতে করে নগরীর সড়ক, ফুটপাতসহ জনবহুল এলাকায় ছিটানো হতো। কিন্তু বর্তমানে সোডিয়াম হাইপো-ক্লোরাইট রাসায়নিকটি না থাকার কারণে কাজটিও বন্ধ রয়েছে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

এই সম্পর্কিত

আরও